দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরান ও ইউক্রেন সংকট অব্যাহত থাকার মধ্যেই ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোটের শীর্ষ বৈঠকের ফাঁকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের আগে বা পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুই নেতা কেউই জানাননি, ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের লক্ষ্যবস্তু করতে রাশিয়া কোনো সহায়তা করছে কি না কিংবা ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান বন্ধের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি না।
বৈঠক শেষে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, আলোচনায় দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা হয়েছে।
বুধবার এক সাংবাদিক রুবিওকে জিজ্ঞাসা করেন, ল্যাভরভের সঙ্গে বৈঠকে তিনি ইউক্রেন প্রসঙ্গে চাপ সৃষ্টি করবেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘চাপ সৃষ্টি’ শব্দটি তিনি ব্যবহার করতে চান না, তবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে।
রুবিও বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে অন্যান্য বিষয়ে সমঝোতার সুযোগ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, সম্ভাব্য সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খোঁজা হবে না। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধের অবসান দেখতে চায় এবং সে বিষয়টিও আলোচনায় তোলা হবে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হয়তো এখন এমন কিছু নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা আলোচনার পথ আবারও খুলে দিতে পারে। তিনি জানান, ল্যাভরভের সঙ্গে বৈঠকে সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হবে।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বহুবার দাবি করেছিলেন, তিনি হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে, এমনকি তারও আগে ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারবেন।
তবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের ৫০০ দিনেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে এবং শান্তি আলোচনা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতও আবার প্রাণঘাতী হামলা-পাল্টা হামলার ধারাবাহিকতায় ফিরে গেছে।
সূত্র: সিএনএন
/অ